সচরাচর জিজ্ঞাস্য

 অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাস্য
১৯৬৫ সালে প্রণীত পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বিধির ১৬৫ নং বিধি মোতাবেক তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের যেসব নাগরিক ৬ই সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫ তারিখে ভারতে চলে গিয়েছিল বা অবস্থানরত ছিলো কিংবা ঐ তারিখ থেকে ১৬ই ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯ পর্যন্ত ভারতে গমন বা অবস্থান করেছিলো, তাদের সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়, যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব একজন উপ-তত্ত্বাবধায়কের উপর বর্তায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর উপ-তত্ত্বাবধায়কের উপর ন্যস্তকৃত সমুদয় সম্পত্তি বাংলাদেশ সরকারের উপর অর্পিত হয় এবং এ সম্পত্তির নাম হয় ‘অর্পিত সম্পত্তি’।
 নামজারী সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাস্য
নামজারী বা নামপত্তন মূলত মিউটেশন (Mutation) নামেই বেশি পরিচিত। ইংরেজি এ শব্দটির আভিধানিক অর্থ ‘পরিবর্তন’; অর্থাৎ কোনো কিছুকে অন্য কোন কিছুতে রূপান্তর করাই হলো মিউটেশন। ভূমি ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যবহৃত হয় কোন ব্যক্তির মালিকানা বা স্বত্ব সংশোধন করে অন্য একজনের নামে তা পরিবর্তন করার বিষয়টিকে বোঝাতে। একে নামজারীও বলা হয়, কারণ এর মাধ্যমে নতুন এক বা একাধিক ব্যক্তির নাম খতিয়ান বইতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
 ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাস্য
ব্যক্তি বা সংস্থা পর্যায়ে জমির মালিকানা অর্জন বা জমি ব্যবহার করা হলে এর জন্য সরকারকে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ বার্ষিক হারে পরিশোধ করতে হয়; এটিই হলো ভূমি উন্নয়ন কর বা জমির খাজনা। বর্তমানে ২৫ বিঘার উপরে কৃষি জমি থাকলে এর জন্য নির্ধারিত হারে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হয়; তবে অকৃষি, অর্থাৎ আবাসিক, শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রভৃতি যে কোনো ধরনের জমির জন্যই ভূমি উন্নয়ন কর প্রযোজ্য, তার পরিমাণ যা-ই হোক না কেন।
 মিসকেস সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাস্য
বিবিধ মামলা বা মিসকেস এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো Miscellaneous Case. বিভিন্ন কারণে এটি রুজু করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে নামজারী মামলার আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করণ মিসকেস দায়েরের অন্যতম প্রধান কারণ।

নোটিশ বোর্ড

See all

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমূহ

See all

এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার আবেদনের অবস্থা জানুন